শীতকালের উপযুক্ত খাবার
১. মূল জাতীয় সবজি
মূল জাতীয় সবজিগুলো শীতকালে পাওয়া যায়। গাঁজর, মূলা, ওলকপি, শালগম এসব সবজিগুলোতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’ এবং ভিটামিন ‘এ’ আছে। মূলা আলসার ও বদবজম দূর করতে সাহায্য করে। এছাড়া কিডনি ও পিত্ত থলিতে পাথর তৈরি প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। গাজরে উপস্থিত ক্যারোকিনয়েড ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে। শীতের কারণে ত্বকের খসখসে ভাব দূর করে।
২. কপি
শীতের টাটকা সবজির মধ্যে বাঁধাকপি বেশ উচ্চ পুষ্টিমান সম্পন্ন এবং খেতেও সুস্বাদু। খুব সবজেই কপি রান্না করা যায়। বাঁধাকপিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’ ও ‘ই’ আছে। ফুলকপিতে থাকা ভিটামিন ‘এ’ ও ‘সি’ শীতকালীন বিভিন্ন রোগ যেমন জ্বর, কাশি, সর্দি ও টনসিল প্রতিরোধে কার্যকরী ভূমিকা রাখে।
৩. ব্রকোলি মকি
সবজির বাজারে ব্রকোলি মকি এখনো অনেকের কাছেই অপরিচিত। কিন্তু স্বাদ ও পুষ্টিগুণের কারণে ব্রকোলি বেশ জনপ্রিয় বয়ে উঠছে। আঁশযুক্ত এই সবজির মধ্যে আছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ‘সি’ ও ‘কে’।
৪. শাক
বিভিন্ন ধরনের শাক শীতকালে পাওয়া যায়। পালং শাক ও লাল শাক লৌবসমৃদ্ধ শাক। এ কারণে এই শাক রক্তস্বল্পতায় বেশ কার্যকরী ভূমিকা রাখে। এছাড়া লাল শাকে প্রচুর ভিটামিন ‘এ’, ‘বি’, ‘সি’ ও ক্যালসিয়াম থাকে।
৫. ওটমিল
ওটমিল শুধু সুবিধাজনক ব্রেকফাস্ট নয়। এর পুষ্টিগুণও অনেক। শীতের সময় আমাদের অতিরিক্ত পুষ্টির প্রয়োজন। তাই শীতের সময় ব্যাকি খুবই উপকারী। ওটমিল শীতের জন্য আমাদের শরীরের জন্য যে অতিরিক্ত পুষ্টির প্রয়োজন তা সরবরাব করতে সাহায্য করে।
৬. স্যুপ
শীতের সময় স্যুপ একদম সঠিক খাবার। গরম গরম স্যুপ খেলে যেমন শীতের ঠাণ্ডা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে তেমনি বিভিন্ন ধরনের সবজি দিয়ে তৈরি করা স্যুপ শরীরের পুষ্টি চাহিদাও পূরণ করবে। আমি স্যুপে একটু মুরগির মাংস দিয়ে দেখুন স্বাদও বেড়ে যাবে।
সর্বোপরি শীতের প্রতিটি সবজিতেই প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল থাকে। তাই সুস্থ ও সুন্দর থাকার জন্য শীতকালে এ সকল শাকসবজি প্রচুর পরিমাণে গ্রহণ করা উচিৎ।
শীতকালে আপনার ত্বকের সুরক্ষা নেবেন যে ৫ টি উপায়ে
শীতকালে ভিটামিন ‘সি’
শীতে গা চিটচিটে ভাব, বিবর্ণতা। সব মিলিয়ে শরীর যেন শুকিয়ে যেতে চায়। এমন পরিস্থিতি থেকে রেহাই পেতে বেশি করে ভিটামিন ‘সি’ সমৃদ্ধ খাবার খান। আর শীতকালের খাবার মেন্যু অবশ্যই হালকা হওয়া চাই। মনে করে প্রতিদিনই নির্দিষ্ট পরিমাণ ভিটামিন ‘সি’ খান। শুধু শীতকালেই নয়, বছরজুড়েই শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা কার্যকর রাখতে সাহায্য করে ভিটামিন ‘সি’। এছাড়া ক্লান্তি ও দুর্বলতা কমাতেও কাজে লাগবে এই খাদ্যাভ্যাস। গ্রিল করা খাবার : এ ধরনের রান্না স্বাস্থ্যসম্মত এবং বছরের যেকোনো সময়ই তা খাওয়া যেতে পারে। তবে শীতের খাবার মেন্যুতে বাড়তি মাত্রা যোগ করতে পারে গ্রিল করা খাবার। আপনার রান্নাঘর আর ডাইনিং টেবিলে গ্রীষ্মকালের বারবিকিউর আবহটা শীতকালেও দারুণ মানিয়ে যাবে। ফল, সালাদ, হালকা খাবার খান : শীতের সময় বা ঠা-ার মাসগুলোতে আমাদের খাদ্যগ্রহণের পরিমাণও যেন বেড়ে যায়, বিশেষত কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবারের চাহিদা। আমরা এ সময় ক্যালরিও গ্রহণ করি বেশি। এতে আমাদের ওজনের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তার চেয়ে ফল আর সালাদ খেয়ে কাটানো গরমের দিনগুলোর দিকেই ফেরার চেষ্টা করা আখেরে ভালো ফল দেয়। এ মৌসুমে শীতকালীন সবজি আর ফলমূলও অনেকটা সহজলভ্য আর দামেও কম। তাই আপনার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় থাকা চাই মৌসুমি শাক-সবজি আর তাজা ফল।
১. মূল জাতীয় সবজি
মূল জাতীয় সবজিগুলো শীতকালে পাওয়া যায়। গাঁজর, মূলা, ওলকপি, শালগম এসব সবজিগুলোতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’ এবং ভিটামিন ‘এ’ আছে। মূলা আলসার ও বদবজম দূর করতে সাহায্য করে। এছাড়া কিডনি ও পিত্ত থলিতে পাথর তৈরি প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। গাজরে উপস্থিত ক্যারোকিনয়েড ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে। শীতের কারণে ত্বকের খসখসে ভাব দূর করে।
২. কপি
শীতের টাটকা সবজির মধ্যে বাঁধাকপি বেশ উচ্চ পুষ্টিমান সম্পন্ন এবং খেতেও সুস্বাদু। খুব সবজেই কপি রান্না করা যায়। বাঁধাকপিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’ ও ‘ই’ আছে। ফুলকপিতে থাকা ভিটামিন ‘এ’ ও ‘সি’ শীতকালীন বিভিন্ন রোগ যেমন জ্বর, কাশি, সর্দি ও টনসিল প্রতিরোধে কার্যকরী ভূমিকা রাখে।
৩. ব্রকোলি মকি
সবজির বাজারে ব্রকোলি মকি এখনো অনেকের কাছেই অপরিচিত। কিন্তু স্বাদ ও পুষ্টিগুণের কারণে ব্রকোলি বেশ জনপ্রিয় বয়ে উঠছে। আঁশযুক্ত এই সবজির মধ্যে আছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ‘সি’ ও ‘কে’।
৪. শাক
বিভিন্ন ধরনের শাক শীতকালে পাওয়া যায়। পালং শাক ও লাল শাক লৌবসমৃদ্ধ শাক। এ কারণে এই শাক রক্তস্বল্পতায় বেশ কার্যকরী ভূমিকা রাখে। এছাড়া লাল শাকে প্রচুর ভিটামিন ‘এ’, ‘বি’, ‘সি’ ও ক্যালসিয়াম থাকে।
৫. ওটমিল
ওটমিল শুধু সুবিধাজনক ব্রেকফাস্ট নয়। এর পুষ্টিগুণও অনেক। শীতের সময় আমাদের অতিরিক্ত পুষ্টির প্রয়োজন। তাই শীতের সময় ব্যাকি খুবই উপকারী। ওটমিল শীতের জন্য আমাদের শরীরের জন্য যে অতিরিক্ত পুষ্টির প্রয়োজন তা সরবরাব করতে সাহায্য করে।
৬. স্যুপ
শীতের সময় স্যুপ একদম সঠিক খাবার। গরম গরম স্যুপ খেলে যেমন শীতের ঠাণ্ডা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে তেমনি বিভিন্ন ধরনের সবজি দিয়ে তৈরি করা স্যুপ শরীরের পুষ্টি চাহিদাও পূরণ করবে। আমি স্যুপে একটু মুরগির মাংস দিয়ে দেখুন স্বাদও বেড়ে যাবে।
সর্বোপরি শীতের প্রতিটি সবজিতেই প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল থাকে। তাই সুস্থ ও সুন্দর থাকার জন্য শীতকালে এ সকল শাকসবজি প্রচুর পরিমাণে গ্রহণ করা উচিৎ।
শীতকালে আপনার ত্বকের সুরক্ষা নেবেন যে ৫ টি উপায়ে
শীতকালে ভিটামিন ‘সি’
শীতে গা চিটচিটে ভাব, বিবর্ণতা। সব মিলিয়ে শরীর যেন শুকিয়ে যেতে চায়। এমন পরিস্থিতি থেকে রেহাই পেতে বেশি করে ভিটামিন ‘সি’ সমৃদ্ধ খাবার খান। আর শীতকালের খাবার মেন্যু অবশ্যই হালকা হওয়া চাই। মনে করে প্রতিদিনই নির্দিষ্ট পরিমাণ ভিটামিন ‘সি’ খান। শুধু শীতকালেই নয়, বছরজুড়েই শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা কার্যকর রাখতে সাহায্য করে ভিটামিন ‘সি’। এছাড়া ক্লান্তি ও দুর্বলতা কমাতেও কাজে লাগবে এই খাদ্যাভ্যাস। গ্রিল করা খাবার : এ ধরনের রান্না স্বাস্থ্যসম্মত এবং বছরের যেকোনো সময়ই তা খাওয়া যেতে পারে। তবে শীতের খাবার মেন্যুতে বাড়তি মাত্রা যোগ করতে পারে গ্রিল করা খাবার। আপনার রান্নাঘর আর ডাইনিং টেবিলে গ্রীষ্মকালের বারবিকিউর আবহটা শীতকালেও দারুণ মানিয়ে যাবে। ফল, সালাদ, হালকা খাবার খান : শীতের সময় বা ঠা-ার মাসগুলোতে আমাদের খাদ্যগ্রহণের পরিমাণও যেন বেড়ে যায়, বিশেষত কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবারের চাহিদা। আমরা এ সময় ক্যালরিও গ্রহণ করি বেশি। এতে আমাদের ওজনের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তার চেয়ে ফল আর সালাদ খেয়ে কাটানো গরমের দিনগুলোর দিকেই ফেরার চেষ্টা করা আখেরে ভালো ফল দেয়। এ মৌসুমে শীতকালীন সবজি আর ফলমূলও অনেকটা সহজলভ্য আর দামেও কম। তাই আপনার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় থাকা চাই মৌসুমি শাক-সবজি আর তাজা ফল।

0 মন্তব্যসমূহ
Is it helpful?